ইভ্যালির গাড়ি বিক্রি হলো প্রায় ৩ কোটি টাকায়
আলোচিত ইভ্যালির সাতটি গাড়ি নিলামে বিক্রি হলো ২ কোটি ৯০ লাখ টাকায়। আদালতের নির্দেশে গঠিত ইভ্যালির পরিচালনা পর্ষদ এই নিলাম আয়োজন করে। রাজধানীর ধানমন্ডির ভিক্টোরিয়া কনভেনশন সেন্টারে চলে এই নিলাম কার্যক্রম।
নিলামের তালিকায় ৭টি গাড়ির মধ্যে ছিল- একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সিএইচআর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস। এর মধ্যে রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম দর এক কোটি ৬০ লাখ টাকা ধরা হয়।
আজ নিলামে ছয়টি ব্যক্তিগত গাড়ি ও একটি মাইক্রোবাস বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ব্যক্তিগত গাড়ি রেঞ্জ রোভার ১ কোটি সাড়ে ৮১ লাখে, রিপন ইসলাম টয়োটা প্রিয়াস ১৭ লাখ ৩০ হাজারে, প্রশান্ত ভৌমিক টয়োটা চিএইচআর হাইব্রিড ২৩ লাখ ৮০ হাজারে, আবুল হাসনাত রাসেল টয়োটা এক্সিও ১৫ লাখ ৩৫ হাজারে, প্রশান্ত ভৌমিক হোন্ডা ভেসেল ১৫ লাখে, আইনজীবী কানিজ ফাতেমা হোন্ডা ভেসেল ১৭ লাখ ৬০ হাজারে ও মো. রিয়াজ উদ্দিন টয়োটা ব্র্যান্ডের মাইক্রোবাস ২০ লাখ টাকায় কেনেন।
গাড়ির বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সাড়ে ১৭ শতাংশ ভ্যাট ও ট্যাক্স যোগ করা হয়েছে।
এর আগে, ৩১ জানুয়ারি ইভ্যালির ধানমন্ডি কার্যালয়ের দুটি লকারে মাত্র ২ হাজার ৫৩০ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের দেড়শোর মতো চেকবই পাওয়া যায় সেখানে।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির আরো গাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে জানিয়ে ইভ্যালির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, রোববারের মধ্যে ওই গাড়ি জমা না দিলে পুলিশি অভিযান চালানো হবে।
এর আগে, প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। তারা দুজন এখন কারাগারে।
হাইকোর্টের নির্দেশে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালির পরিচালনার দায়িত্ব নেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ।
ওই পর্ষদ গত তিন মাসে ৯টি বোর্ড সভার পাশাপাশি ইভ্যালির অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে নানামুখী কার্যক্রম নিয়েছে। পর্ষদ এ পর্যন্ত সিটি ও সাউথ ইস্ট ব্যাংকে থাকা ইভ্যালির দুটি অ্যাকাউন্ট এবং ২৪টি গাড়ি ও ৯টি গুদামের সন্ধান পেয়েছে।
নিলাম শেষে ইভ্যালির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, আমরা নিলামের মাধ্যমে ইভ্যালির কর্মকর্তারা যেসব গাড়ি ব্যবহার করতেন- তা বিক্রি করেছি। আমরা আরো চারটি গাড়ির সন্ধান পেয়েছি। যা ইভ্যালি থেকে এক রকম চুরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী রোববারের মধ্যে যদি ইভ্যালির ওই গাড়িগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করা না হয়, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। গাড়ি জব্দের সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি চুরির মামলা দিব। এছাড়াও ইভ্যালির কাছে যেসব গ্রাহকরা টাকা পাওনা রয়েছে, আমরা খুব শিগগিরই অডিটের মাধ্যমে একটা ডাটা তৈরি করে হিসাব করে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিব।
তথ্য সূত্র: independent tv
নিলামের তালিকায় ৭টি গাড়ির মধ্যে ছিল- একটি রেঞ্জ রোভার, একটি টয়োটা প্রিউস, একটি টয়োটা সিএইচআর, দুটি টয়োটা এক্সিও, একটি হোন্ডা ভেজেল ও একটি টয়োটা মাইক্রোবাস। এর মধ্যে রেঞ্জ রোভারের ন্যূনতম নিলাম দর এক কোটি ৬০ লাখ টাকা ধরা হয়।
আজ নিলামে ছয়টি ব্যক্তিগত গাড়ি ও একটি মাইক্রোবাস বিক্রি করা হয়। এর মধ্যে প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান ব্যক্তিগত গাড়ি রেঞ্জ রোভার ১ কোটি সাড়ে ৮১ লাখে, রিপন ইসলাম টয়োটা প্রিয়াস ১৭ লাখ ৩০ হাজারে, প্রশান্ত ভৌমিক টয়োটা চিএইচআর হাইব্রিড ২৩ লাখ ৮০ হাজারে, আবুল হাসনাত রাসেল টয়োটা এক্সিও ১৫ লাখ ৩৫ হাজারে, প্রশান্ত ভৌমিক হোন্ডা ভেসেল ১৫ লাখে, আইনজীবী কানিজ ফাতেমা হোন্ডা ভেসেল ১৭ লাখ ৬০ হাজারে ও মো. রিয়াজ উদ্দিন টয়োটা ব্র্যান্ডের মাইক্রোবাস ২০ লাখ টাকায় কেনেন।
গাড়ির বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সাড়ে ১৭ শতাংশ ভ্যাট ও ট্যাক্স যোগ করা হয়েছে।
এর আগে, ৩১ জানুয়ারি ইভ্যালির ধানমন্ডি কার্যালয়ের দুটি লকারে মাত্র ২ হাজার ৫৩০ টাকা পাওয়া যায়। এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংকের দেড়শোর মতো চেকবই পাওয়া যায় সেখানে।
এদিকে, প্রতিষ্ঠানটির আরো গাড়ির সন্ধান পাওয়া গেছে জানিয়ে ইভ্যালির অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, রোববারের মধ্যে ওই গাড়ি জমা না দিলে পুলিশি অভিযান চালানো হবে।
এর আগে, প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেফতার হন ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী কোম্পানির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। তারা দুজন এখন কারাগারে।
হাইকোর্টের নির্দেশে গত বছরের ১৮ অক্টোবর ইভ্যালির পরিচালনার দায়িত্ব নেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের নেতৃত্বে গঠিত পাঁচ সদস্যের পরিচালনা পর্ষদ।
ওই পর্ষদ গত তিন মাসে ৯টি বোর্ড সভার পাশাপাশি ইভ্যালির অর্থ ও সম্পদ উদ্ধারে নানামুখী কার্যক্রম নিয়েছে। পর্ষদ এ পর্যন্ত সিটি ও সাউথ ইস্ট ব্যাংকে থাকা ইভ্যালির দুটি অ্যাকাউন্ট এবং ২৪টি গাড়ি ও ৯টি গুদামের সন্ধান পেয়েছে।
নিলাম শেষে ইভ্যালির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বলেন, আমরা নিলামের মাধ্যমে ইভ্যালির কর্মকর্তারা যেসব গাড়ি ব্যবহার করতেন- তা বিক্রি করেছি। আমরা আরো চারটি গাড়ির সন্ধান পেয়েছি। যা ইভ্যালি থেকে এক রকম চুরি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আগামী রোববারের মধ্যে যদি ইভ্যালির ওই গাড়িগুলো আমাদের কাছে হস্তান্তর করা না হয়, তাহলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। গাড়ি জব্দের সঙ্গে সঙ্গে আমরা তাদের বিরুদ্ধে গাড়ি চুরির মামলা দিব। এছাড়াও ইভ্যালির কাছে যেসব গ্রাহকরা টাকা পাওনা রয়েছে, আমরা খুব শিগগিরই অডিটের মাধ্যমে একটা ডাটা তৈরি করে হিসাব করে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দিব।
তথ্য সূত্র: independent tv

Hmnm
ReplyDelete