ওমিক্রনে শিশুদের আক্রান্তের হার বেশি
উপসর্গ মৃদু হলেও করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে অধিক হারে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও চিকিৎসক ও হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। তাই উপসর্গ না থাকলেও পরিবারের কেউ করোনা আক্রান্ত হলে শিশুর নমুনা পরীক্ষার পরামর্শ চিকিৎসকদের।
শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। শিশুদের মধ্যে যে ভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকেরাও। তবে এখনও পর্যন্ত শিশুদের দেহে যে সব লক্ষণ দেখা দিয়েছে তা খুব একটা জটিল নয়। ডেল্টা কিংবা কোভিডের প্রথম ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব শিশুদের ফর ততটাও পড়েনি যতটা পড়ছে ওমিক্রনে।
শিশুদের আগে শুধুমাত্র ভাইরাসের বাহক হিসাবে বিবেচনা করা হলেও তাদের এখন গুরুতর উপসর্গ দেখা দিচ্ছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।
চিকিৎসকরা জানান, ওমিক্রণ সংক্রমণের সময়টায় একসাথে আক্রান্ত হচ্ছে পুরো পরিবার। অনেক সময় উপসর্গ না থাকায় শিশুকে আত্নীয়ের কাছে পাঠানোর কারণে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।
শিশু হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এখন কোনো শয্যাই খালি থাকছে না। বর্হিবিভাগে উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের পরীক্ষা করে করোনা পাওয়া গেলে ভর্তি করা হচ্ছে।
করোনা আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এখন শ্বাসকষ্টের উপসর্গও দেখা যাচ্ছে। তবে আশার কথা, প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাই করোনা আক্রান্ত হয়ে শিশুদের হাসপাতালে যাওয়ার হার কম।
শিশুদের করোনা শনাক্তের হার ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ প্রায়। এখন পর্যন্ত শূন্য থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর মৃতের হার ০.২৮ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীর মৃতের হার ০.৬৮ শতাংশ।
তথ্য সূত্র: independent tv
শিশুদের মধ্যে সংক্রমণের হার অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। শিশুদের মধ্যে যে ভাবে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তাতে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকেরাও। তবে এখনও পর্যন্ত শিশুদের দেহে যে সব লক্ষণ দেখা দিয়েছে তা খুব একটা জটিল নয়। ডেল্টা কিংবা কোভিডের প্রথম ভ্যারিয়েন্টের প্রভাব শিশুদের ফর ততটাও পড়েনি যতটা পড়ছে ওমিক্রনে।
শিশুদের আগে শুধুমাত্র ভাইরাসের বাহক হিসাবে বিবেচনা করা হলেও তাদের এখন গুরুতর উপসর্গ দেখা দিচ্ছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।
চিকিৎসকরা জানান, ওমিক্রণ সংক্রমণের সময়টায় একসাথে আক্রান্ত হচ্ছে পুরো পরিবার। অনেক সময় উপসর্গ না থাকায় শিশুকে আত্নীয়ের কাছে পাঠানোর কারণে বাড়ছে সংক্রমণের ঝুঁকি।
শিশু হাসপাতালের করোনা ইউনিটে এখন কোনো শয্যাই খালি থাকছে না। বর্হিবিভাগে উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের পরীক্ষা করে করোনা পাওয়া গেলে ভর্তি করা হচ্ছে।
করোনা আক্রান্ত শিশুদের মধ্যে এখন শ্বাসকষ্টের উপসর্গও দেখা যাচ্ছে। তবে আশার কথা, প্রাপ্ত বয়স্কদের তুলনায় শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। তাই করোনা আক্রান্ত হয়ে শিশুদের হাসপাতালে যাওয়ার হার কম।
শিশুদের করোনা শনাক্তের হার ৩০ থেকে ৩২ শতাংশ প্রায়। এখন পর্যন্ত শূন্য থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর মৃতের হার ০.২৮ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীর মৃতের হার ০.৬৮ শতাংশ।
তথ্য সূত্র: independent tv

Comments
Post a Comment